আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোল আর ব্রুনো গিমারেসের পেনাল্টি মিসের খেসারত দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে হেক্সা মিশন ব্যর্থ হওয়ার পর কান্নাভেজা চোখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নেইমার জুনিয়রদের। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন সেলেসাওদের এই পোস্টার বয়। তবে মাঠের খেলায় স্বপ্নভঙ্গের চরম বেদনা থাকলেও আর্থিক দিক থেকে খুব একটা হতাশ হতে হচ্ছে না ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনকে (সিবিএফ)।
ফিফার নির্ধারিত পুরস্কার কাঠামো অনুযায়ী, খালি হাতে দেশে ফিরতে হচ্ছে না নকআউটের প্রথম পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোকে। শেষ ষোলো থেকে ছিটকে যাওয়া প্রতিটি দল প্রাইজমানি হিসেবে পাবে ১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার।
এর বাইরে বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশগ্রহণকারী সব দলকেই বাড়তি ১ কোটি ৫ লাখ মার্কিন ডলার দেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ১৫ লাখ ডলার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ব্যয়ের জন্য।
সেই হিসাবে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলেও সব মিলিয়ে ব্রাজিল পাচ্ছে ২ কোটি ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী (প্রতি ডলার প্রায় ১২৪ টাকা ধরে) বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩১৬ কোটি ২০ লাখ টাকা।
উল্লেখ্য, ফুটবল বিশ্বমঞ্চের রোমাঞ্চ ও জৌলুস বাড়াতে এবারের বিশ্বকাপে রেকর্ড ৭২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ হাজার ১৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা) পুরস্কার হিসেবে বিতরণ করছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। এটি ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।
ফিফার এই নতুন প্রাইজমানি কাঠামো অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল ঘরে তুলবে ৫ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ৬২০ কোটি টাকা। রানার্সআপ দল পাবে প্রায় ৪৭৫ কোটি টাকা। এছাড়া তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান অর্জনকারী দল যথাক্রমে ৪১৮ কোটি ও ৩৮৯ কোটি টাকা পাবে। আর কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা নিশ্চিত করা দলগুলোর প্রত্যেকে পাবে প্রায় ২৭৪ কোটি টাকা করে।