রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিচ্ছে পুলিশ। সব ধরনের ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর আলোচিত এই মামলার চার্জশিট প্রস্তুত করা হয়েছে।
আজ রোববার (২৪ মে) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের মাধ্যমে এই অভিযোগপত্র আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ জানান, ডিএনএ পরীক্ষা, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়ার পর চূড়ান্ত অভিযোগপত্র তৈরি করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাই শেষে আজই এটি আদালতে দাখিলের প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে, গত শনিবার সিআইডি থেকে নিহত শিশুর ডিএনএ ও ভিসেরা প্রতিবেদনসহ সব ফরেনসিক রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সম্প্রতি ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সরকারের নীতিনির্ধারকেরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকার নিজ বাসা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর একই ভবনের একটি কক্ষ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় শিশু রামিসার মরদেহ।
এই নৃশংস ঘটনার পরদিন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান আসামি জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানা আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অপর আসামি তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারও বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
আজ রোববার (২৪ মে) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের মাধ্যমে এই অভিযোগপত্র আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ জানান, ডিএনএ পরীক্ষা, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়ার পর চূড়ান্ত অভিযোগপত্র তৈরি করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাই শেষে আজই এটি আদালতে দাখিলের প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে, গত শনিবার সিআইডি থেকে নিহত শিশুর ডিএনএ ও ভিসেরা প্রতিবেদনসহ সব ফরেনসিক রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সম্প্রতি ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সরকারের নীতিনির্ধারকেরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকার নিজ বাসা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর একই ভবনের একটি কক্ষ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় শিশু রামিসার মরদেহ।
এই নৃশংস ঘটনার পরদিন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান আসামি জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানা আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অপর আসামি তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারও বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।