সরকারপ্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো রাজশাহী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরে তিনি স্থানীয় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পাশাপাশি ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় বক্তব্য দেবেন। তার এই আগমন ঘিরে পুরো উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরসূচির কথা জানা যায়।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, এদিন দুপুর দেড়টায় রাজশাহী ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
এরপর বিকেল ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখবেন সরকারপ্রধান।
ধারণা করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর থেকে স্থানীয় আখচাষিদের জন্য বিশেষ প্রণোদনার ঘোষণাও আসতে পারে। প্রায় আট মাস পর তার এই আগমনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে।
উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই জেলার দীর্ঘদিনের উন্নয়নবঞ্চনা কাটাতে সরকারপ্রধানের কাছে ব্যাপক প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বন্ধ ও রুগ্ন চিনিকলগুলো নতুন করে চালু, কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপন এবং পদ্মা নদীকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রসারের দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত জানান, রাজশাহীর কৃষি, শিল্প ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর সফরে এসব প্রত্যাশা পূরণের বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।
রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন বলেন, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অবকাঠামো উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। এই সফরের মধ্য দিয়ে রাজশাহীর মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদী।
একই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নগরীর দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে সরকারপ্রধানের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।