জামালপুরের মেলান্দহে ৮৩ পিস ইয়াবাসহ হোসেন আলী নামের এক স্থানীয় বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরই মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দৈনিক সান পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার ফুলকোচা এলাকা থেকে তাকে হাতেনাতে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
গ্রেপ্তার হওয়া হোসেন আলী ফুলকোচা দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা হযরত আলীর ছেলে। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ফুলকোচা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
জামালপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-১) ইনচার্জ মো. শাহীনুর ইসলাম তালুকদার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে, নিজ দলের নেতার মাদকসহ গ্রেপ্তারের বিষয়ে মুখ খুলেছেন ফুলকোচা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জহুরুল ইসলাম। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো নেতার ব্যক্তিগত অপকর্মের দায় দল কখনো বহন করবে না।
তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত হোসেন আলীর বিরুদ্ধে এরই মধ্যে বহিষ্কারাদেশ প্রস্তুত করার কাজ চলছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দৈনিক সান পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার ফুলকোচা এলাকা থেকে তাকে হাতেনাতে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
গ্রেপ্তার হওয়া হোসেন আলী ফুলকোচা দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা হযরত আলীর ছেলে। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ফুলকোচা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
জামালপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-১) ইনচার্জ মো. শাহীনুর ইসলাম তালুকদার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে, নিজ দলের নেতার মাদকসহ গ্রেপ্তারের বিষয়ে মুখ খুলেছেন ফুলকোচা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জহুরুল ইসলাম। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো নেতার ব্যক্তিগত অপকর্মের দায় দল কখনো বহন করবে না।
তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত হোসেন আলীর বিরুদ্ধে এরই মধ্যে বহিষ্কারাদেশ প্রস্তুত করার কাজ চলছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।