কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা পড়া স্বর্ণের ওজন দাঁড়িয়েছে ১২ কেজি ১৭৪ গ্রাম। এ ছাড়া পাওয়া গেছে ১২ কেজি ৬৯০ গ্রাম রুপা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ওজন নির্ধারণ ও গণনা করা হয়। সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ।
জেলা জুয়েলারি সমিতির ১০ জন সদস্য স্বর্ণ ও রুপার ওজন নির্ধারণের কাজ করেন। তবে বৈদেশিক মুদ্রার গণনা তখনো শেষ হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জেবুন নাহার শাম্মী।
এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ২০২০ সালের ১১ মার্চ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা পড়া স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ওজন নির্ধারণ ও গণনা করা হয়েছিল। সে সময় নিলামে ৪১৫ ভরি ১ আনা স্বর্ণ এবং ১৬৪ ভরি রুপা বিক্রি করে ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ১০০ টাকা পাওয়া যায়।
এ ছাড়া ওই সময় বৈদেশিক মুদ্রা নগদায়ন করে আয় হয়েছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে পাগলা মসজিদের তহবিলে জমা রয়েছে ১৩১ কোটি ৪১ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা। এর বাইরে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অনুদান হিসেবে এসেছে আরও ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ১০৬ টাকা।