আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য আটলান্টিক ও অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের আগে ইরানে আবারও হামলা চালানো সম্ভব কি না, সে বিষয়ে সামরিক বিকল্পগুলোর খসড়া প্রস্তুত করতে পেন্টাগনকে অনুরোধ করেছে হোয়াইট হাউস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য হামলার পরিধি, লক্ষ্যবস্তুর তালিকা ও চূড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে জোর আলোচনা চলছে। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে যেকোনো সময় সব বিকল্পই খোলা রয়েছে। তবে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ঝুঁকি এড়াতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর হামলা চালানো কৌশলগতভাবে বেশি উপযুক্ত হতে পারে বলে মনে করছেন তাঁর কয়েকজন উপদেষ্টা।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ইরানের জ্বালানি, অবকাঠামো ও পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে সেন্ট্রাল কমান্ডকে (সেন্টকম) নির্দেশ দিয়েছে পেন্টাগন। মার্কিন ও ইসরায়েলি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আগামী ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় ইসরায়েলি সংসদ নির্বাচনের সময়ের সঙ্গে মিল রেখে এই হামলার পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
সম্প্রতি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি কথা বলেছেন ট্রাম্প। পুনরায় কোনো হামলা শুরু হলে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী একযোগে এই অভিযান পরিচালনা করবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাতে মার্কিন হামলায় প্রত্যাশিত রাজনৈতিক ফল না আসায় এবং দেশের ভেতরে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব তীব্র হওয়ায় নির্বাচনের আগে এবার ‘জোরপূর্বক’ বিজয় দেখাতে চাইছেন ট্রাম্প।