দেশের সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত ‘মুজিব কর্নার’গুলোকে সংস্কারের মাধ্যমে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’-এ রূপান্তরের দাবি উঠেছে জাতীয় সংসদে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের ষষ্ঠ কার্যদিবসে সম্পূরক এক প্রশ্নে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কাছে এ দাবি জানান।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের ষষ্ঠ কার্যদিবসে সম্পূরক এক প্রশ্নে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কাছে এ দাবি জানান।
সংসদে দেওয়া বক্তব্যে সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ বলেন, বিগত সরকারের আমলে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সোয়া ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে এসব মুজিব কর্নার স্থাপিত হয়েছিল। চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর এ-সংক্রান্ত নোটিশ বা শিরোনামগুলো সরিয়ে নেওয়া হলেও পাঠাগারগুলো সেখানেই অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। তিনি জানান, পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী এসব কর্নারে আটটি বইয়ের ৬৫ হাজার ৭০০ কপি দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে সাবেক রাষ্ট্রপতির প্রিয় খাবারসহ বিভিন্ন বিষয়ের বই রয়েছে। এসব লাইব্রেরি বা কর্নারকে যদি সংস্কারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই কর্নারে রূপান্তরিত করা হয়, তবে তা দেশের মানুষের জন্য সুদূরপ্রসারী কল্যাণের কাজ হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন এবং এ বিষয়ে সরকারের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, তা জানতে চান।
সংসদ সদস্যের এই প্রস্তাব ও প্রশ্নের জবাবে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, দেশের পাবলিক লাইব্রেরিগুলো জেলা-উপজেলা পর্যায়ে এবং বেসরকারি পাঠাগারগুলো গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তিনি ওই সংসদ সদস্যকে এসব লাইব্রেরি বা পাঠাগারের একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করে দপ্তরে লিখিতভাবে বা সংসদে সম্পূরক নোটিশের মাধ্যমে দেওয়ার অনুরোধ জানান। তালিকা পেলে আলোচনা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে মন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করেন।