মোঃ আবদুজ জাহের, বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি: প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের তিন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নগদ অর্থ, ক্ষতিপূরণের চেক ও নির্মাণসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এসব সহায়তা তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান।
সহায়তার মধ্যে সাজেক ইউনিয়নে পানিতে ডুবে নিহত কান্দারা চাকমার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করা হয়।
খেদারমারা ইউনিয়নে পানিতে ডুবে নিহত অনুশকা চাকমার পরিবারকেও নগদ ক্ষতিপূরণের চেক দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, সারোয়াতলী ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত রিকেন চাকমাকে পুনর্বাসনের জন্য ঢেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন সবসময় রয়েছে। সরকারি এই সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্ভোগ কিছুটা হলেও লাঘব করবে বলে আমরা আশা করি।”
সহায়তা পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এসব সহায়তা তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান।
সহায়তার মধ্যে সাজেক ইউনিয়নে পানিতে ডুবে নিহত কান্দারা চাকমার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করা হয়।
খেদারমারা ইউনিয়নে পানিতে ডুবে নিহত অনুশকা চাকমার পরিবারকেও নগদ ক্ষতিপূরণের চেক দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, সারোয়াতলী ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত রিকেন চাকমাকে পুনর্বাসনের জন্য ঢেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন সবসময় রয়েছে। সরকারি এই সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্ভোগ কিছুটা হলেও লাঘব করবে বলে আমরা আশা করি।”
সহায়তা পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।