সরকারি ই-সেবা নেওয়া ৬১ শতাংশ নারীই অনাকাঙ্ক্ষিত যোগাযোগের শিকার: সিপিডি

আপলোড সময় : ৩১-০৮-২০২৬ ০৬:২৪:২৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ৩১-০৮-২০২৬ ০৮:৩৮:০৪ অপরাহ্ন

সরকারি ই-সেবা (অনলাইন সেবা) নেওয়ার পর দেশের ৬১ শতাংশ নারীই পরবর্তী সময়ে নানাভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত যোগাযোগের শিকার হয়েছেন। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সুশাসন নিয়ে পরিচালিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে।

 

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, অনলাইনে পুরোপুরি সেবা পাওয়ার হার এখনো বেশ কম। মাত্র ৩১ দশমিক ৯ শতাংশ নারী সম্পূর্ণ অনলাইনে সেবা প্রক্রিয়া শেষ করতে পারেন। বাকিদের বাধ্য হয়ে কাগজপত্র সশরীরে জমা দিতে হয় অথবা নথি সংগ্রহ করতে সরাসরি সংশ্লিষ্ট অফিসে যেতে হয়। এর চেয়েও উদ্বেগের বিষয় হলো, কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে গিয়ে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ নারীকে ঘুষ দিতে হয়েছে বলেও জরিপে উঠে এসেছে।

 

ই-সেবা গ্রহণকারী নারীদের মধ্যে তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে গভীর শঙ্কা রয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৭৩ দশমিক ২ শতাংশ নারীই তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস বা হ্যাক হওয়ার আশঙ্কায় ভোগেন। আর মাত্র ৬০ দশমিক ১ শতাংশ নারী মনে করেন যে তাঁদের দেওয়া তথ্য আংশিকভাবে নিরাপদ।

 

ডিজিটাল সেবার ক্ষেত্রে নারীদের সচেতনতা ও অংশগ্রহণেও বড় ঘাটতি লক্ষ করা গেছে। জরিপে দেখা যায়, মাত্র ২৩ দশমিক ৭ শতাংশ নারী কখনো ডিজিটাল সাক্ষরতা বা সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে আমন্ত্রিত হয়েছেন। হয়রানির শিকার হলেও ৮৩ দশমিক ৩ শতাংশ নারী কখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেননি।
 

এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বেশ কিছু সুপারিশ করেছে সিপিডি। এর মধ্যে নারীদের তথ্যের গোপনীয়তা সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, অভিযোগ দায়েরের পদ্ধতি সহজলভ্য করা এবং নারীকেন্দ্রিক ডিজিটাল সাক্ষরতা কর্মসূচি আরও জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।

সম্পাদকীয় : দৈনিক সকল সংবাদ


দৈনিক সকল সংবাদ সত্য, নিরপেক্ষতা ও জনস্বার্থের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম। দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও জনজীবনের নানা বিষয় আমরা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পাঠকের কাছে তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সচেতন সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখাই আমাদের লক্ষ্য।

 

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাম্মদ আরিজ উলফি 
নির্বাহী সম্পাদক: আবুল হুসাইন 
সহযোগী সম্পাদক: মো: মনিরুজ্জামান
সহযোগী সম্পাদক: সাইফুর রহমান প্রিন্স 
সহযোগী সম্পাদক: মো: আলমগীর হোসেন

ঠিকানা:
সুইট # ২, (১১ তলা) পল্টন চায়না টাউন (পশ্চিম টাওয়ার), ৬৭/১, নয়াপল্টন ভি আই পি রোড, ঢাকা -১০০০, বাংলাদেশে।
টেলিফোন: +৮৮০২২২২২২৩৫৫০
ইমেইল : [email protected]