রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ঐতিহাসিক জশনে জুলুস, বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে বটতলী দরবার শরীফের আয়োজনে এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টায় বটতলী দরবার শরীফ থেকে বর্ণাঢ্য র্যালিটি শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌমুহনী মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।
সিঙ্গীনালা দাখিল মাদ্রাসার সুপার শাহজাদা মোহাম্মদ আব্দুল বারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বটতলী দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন আলহাজ্ব সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুন নূর ছাহেব। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের সভাপতি মাওলানা আবু হানিফ নঈমী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন বাহারী, গাউছিয়া কমিটি বাঘাইছড়ির সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন মাওলানা মোজাম্মেল হক নুরী। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদের খতিব, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান এতে অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) শুধু আনন্দ-উৎসবের দিন নয়; বরং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও মানবতার মুক্তির বার্তা স্মরণ করারও দিন। তাঁর আগমনের মাধ্যমে অশান্তি, অন্যায় ও অবিচারে জর্জরিত পৃথিবী শান্তি, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার শিক্ষা পেয়েছে।
তারা বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক জীবনে তা বাস্তবায়ন করতে পারলেই ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করা সম্ভব।
এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজারে হামলা ও সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় ও উদ্দেশ্য যথাযথভাবে তদন্তের মাধ্যমে জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভা শেষে বটতলী দরবার শরীফে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দেখানো আদর্শ ও মানবতার পথে সমাজ গড়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে বটতলী দরবার শরীফের আয়োজনে এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টায় বটতলী দরবার শরীফ থেকে বর্ণাঢ্য র্যালিটি শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌমুহনী মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।
সিঙ্গীনালা দাখিল মাদ্রাসার সুপার শাহজাদা মোহাম্মদ আব্দুল বারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বটতলী দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন আলহাজ্ব সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুন নূর ছাহেব। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের সভাপতি মাওলানা আবু হানিফ নঈমী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন বাহারী, গাউছিয়া কমিটি বাঘাইছড়ির সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন মাওলানা মোজাম্মেল হক নুরী। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদের খতিব, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান এতে অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) শুধু আনন্দ-উৎসবের দিন নয়; বরং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও মানবতার মুক্তির বার্তা স্মরণ করারও দিন। তাঁর আগমনের মাধ্যমে অশান্তি, অন্যায় ও অবিচারে জর্জরিত পৃথিবী শান্তি, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার শিক্ষা পেয়েছে।
তারা বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক জীবনে তা বাস্তবায়ন করতে পারলেই ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করা সম্ভব।
এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজারে হামলা ও সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় ও উদ্দেশ্য যথাযথভাবে তদন্তের মাধ্যমে জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভা শেষে বটতলী দরবার শরীফে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দেখানো আদর্শ ও মানবতার পথে সমাজ গড়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।