নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, সাম্প্রতিক দুই শীর্ষ নেতার বহিষ্কার ও বলয়ভিত্তিক মতপার্থক্যের টানাপোড়েনে দিন দিন ঝিমিয়ে পড়ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক কার্যক্রম। কোন্দল আর প্রকাশ্য বিরোধের এই আবহেই সংগঠনটির সাম্প্রতিক এক সাংগঠনিক সভায় নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশ অনুপস্থিত ছিলেন। উপস্থিতির হার ও সিনিয়র নেতাদের অনীহা দেখে সাধারণ কর্মীদের মনে প্রশ্ন উঠেছে- তবে কি বর্তমান ধারার রাজনীতির প্রতি আস্থাহীনতাই ফুটে উঠছে এই নীরবতায়?
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি সেমিনার কক্ষে নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের দ্বিতীয় সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রদলকে গতিশীল ও সুসংগঠিত করা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে সভার ডাক দেওয়া হলেও বাস্তবে সেখানে চিত্রটি ছিল একেবারেই ভিন্ন। কমিটির বিশাল বহরের বিপরীতে উপস্থিত ছিলেন অর্ধেকেরও কম নেতাকর্মী, যা শতাংশের হিসেবে মোট সদস্যের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই অনুপস্থিত।
তৃণমূলের দাবি, একাডেমিক বা ব্যক্তিগত কারণ যা-ই দেখানো হোক না কেন, দীর্ঘদিনের বলয়ভিত্তিক রাজনীতি ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট গণ্ডির প্রভাব তৈরি হওয়ায় ভেতরে ভেতরে দূরত্ব বাড়ছে। পদধারী নেতাদের একটা বড় অংশ দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীকে নিছক আনুষ্ঠানিকতা মনে করে নিজেদের গুটিয়ে রাখছেন।
তবে এই বিপুল অনুপস্থিতির বিষয়টিকে স্বাভাবিক ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, “সবাই কি আর প্রোগ্রামে উপস্থিত থাকে? অনেকে নোয়াখালীতে নেই, বাড়িতে আছে, আবার কারও সেমিস্টার পরীক্ষা ছিল। তারা আমাদের তাদের সমস্যার কথা জানিয়েছে।”
এদিকে ছাত্রদল সভাপতি উপস্থিতির এই ঘাটতিকে পরীক্ষা বা শারীরিক অসুস্থতার দোহাই দিলেও, গুরুত্বপূর্ণ সভায় কমিটির অভিজ্ঞ ও সিনিয়র নেতৃবৃন্দের বড় অংশের একের পর এক মুখ ফিরিয়ে রাখা সাধারণ ঘটনা নয় বলে মনে করছেন সাধারণ নেতাকর্মীরা।
বিষয়টিতে ভিন্ন সুর প্রকাশ পেয়েছে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনের কণ্ঠে। অনুপস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, “সাংগঠনিকভাবে এত বিপুলসংখ্যক নেতার একসঙ্গে অনুপস্থিত থাকা সাধারণ কোনো বিষয় বলে মনে হয় না। সাম্প্রতিক সময়ে দুই নেতার বহিষ্কারের বিষয়টি দায়িত্বশীলদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। আবার বর্তমান নেতৃত্বের গতিপথ কিংবা সামগ্রিক পরিবেশের প্রতি অনিচ্ছাও এর কারণ হতে পারে।”
উল্লেখ্য, গত ২ আগস্ট সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সায়েম ও প্রচার সম্পাদক খায়রুল আমান শাওনকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। এর আগে এপ্রিল মাসে সাবেক উপাচার্যের পদত্যাগ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনের ওপর অপর বলয়ের চড়াও হওয়ার ঘটনা ঘটে, যার প্রেক্ষিতে কেন্দ্র থেকে পাঁচ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছিল।
সংগঠন সূত্র জানায়, নোবিপ্রবি ছাত্রদলে বর্তমানে একাধিক পৃথক বলয় সক্রিয় থাকায় সাধারণ কর্মীদের মধ্যে এক ধরনের বিভাজন ও বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সভায় নেতাদের এই নীরব উপস্থিতি বা সরাসরি এড়িয়ে চলা মূলত শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি প্রচ্ছন্ন অসন্তোষের ইঙ্গিত বহন করে। বলয়কেন্দ্রিক রাজনীতির বাইরে এসে নেতাকর্মীদের আস্থা ফেরাতে না পারলে আগামী দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কাই দেখা দিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি সেমিনার কক্ষে নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের দ্বিতীয় সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রদলকে গতিশীল ও সুসংগঠিত করা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে সভার ডাক দেওয়া হলেও বাস্তবে সেখানে চিত্রটি ছিল একেবারেই ভিন্ন। কমিটির বিশাল বহরের বিপরীতে উপস্থিত ছিলেন অর্ধেকেরও কম নেতাকর্মী, যা শতাংশের হিসেবে মোট সদস্যের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই অনুপস্থিত।
তৃণমূলের দাবি, একাডেমিক বা ব্যক্তিগত কারণ যা-ই দেখানো হোক না কেন, দীর্ঘদিনের বলয়ভিত্তিক রাজনীতি ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট গণ্ডির প্রভাব তৈরি হওয়ায় ভেতরে ভেতরে দূরত্ব বাড়ছে। পদধারী নেতাদের একটা বড় অংশ দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীকে নিছক আনুষ্ঠানিকতা মনে করে নিজেদের গুটিয়ে রাখছেন।
তবে এই বিপুল অনুপস্থিতির বিষয়টিকে স্বাভাবিক ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, “সবাই কি আর প্রোগ্রামে উপস্থিত থাকে? অনেকে নোয়াখালীতে নেই, বাড়িতে আছে, আবার কারও সেমিস্টার পরীক্ষা ছিল। তারা আমাদের তাদের সমস্যার কথা জানিয়েছে।”
এদিকে ছাত্রদল সভাপতি উপস্থিতির এই ঘাটতিকে পরীক্ষা বা শারীরিক অসুস্থতার দোহাই দিলেও, গুরুত্বপূর্ণ সভায় কমিটির অভিজ্ঞ ও সিনিয়র নেতৃবৃন্দের বড় অংশের একের পর এক মুখ ফিরিয়ে রাখা সাধারণ ঘটনা নয় বলে মনে করছেন সাধারণ নেতাকর্মীরা।
বিষয়টিতে ভিন্ন সুর প্রকাশ পেয়েছে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনের কণ্ঠে। অনুপস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, “সাংগঠনিকভাবে এত বিপুলসংখ্যক নেতার একসঙ্গে অনুপস্থিত থাকা সাধারণ কোনো বিষয় বলে মনে হয় না। সাম্প্রতিক সময়ে দুই নেতার বহিষ্কারের বিষয়টি দায়িত্বশীলদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। আবার বর্তমান নেতৃত্বের গতিপথ কিংবা সামগ্রিক পরিবেশের প্রতি অনিচ্ছাও এর কারণ হতে পারে।”
উল্লেখ্য, গত ২ আগস্ট সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সায়েম ও প্রচার সম্পাদক খায়রুল আমান শাওনকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। এর আগে এপ্রিল মাসে সাবেক উপাচার্যের পদত্যাগ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনের ওপর অপর বলয়ের চড়াও হওয়ার ঘটনা ঘটে, যার প্রেক্ষিতে কেন্দ্র থেকে পাঁচ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছিল।
সংগঠন সূত্র জানায়, নোবিপ্রবি ছাত্রদলে বর্তমানে একাধিক পৃথক বলয় সক্রিয় থাকায় সাধারণ কর্মীদের মধ্যে এক ধরনের বিভাজন ও বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সভায় নেতাদের এই নীরব উপস্থিতি বা সরাসরি এড়িয়ে চলা মূলত শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি প্রচ্ছন্ন অসন্তোষের ইঙ্গিত বহন করে। বলয়কেন্দ্রিক রাজনীতির বাইরে এসে নেতাকর্মীদের আস্থা ফেরাতে না পারলে আগামী দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কাই দেখা দিচ্ছে।