মো. আব্দুজ জাহের . বাঘাইছড়ি (রাঙামাটি): রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে সাম্প্রতিক আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশিকা। স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশ, ইউকেএইড (UKAid)সহ বিভিন্ন দাতা সংস্থার আর্থিক ও কৌশলগত সহযোগিতায় এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পৌর এলাকার বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে এসব সহায়তা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে পৌরসভার কর পরিদর্শক মনিষা চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী নিজাম উদ্দিন বাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশিকার উপজেলা মনিটরিং অফিসার রুপায়ন চাকমা। এছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও স্বাস্থ্য-গৃহস্থালি সামগ্রী সমন্বয়ে একটি সহায়তা প্যাকেজ দেওয়া হয়।
খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল—৪০ কেজি চাল, ৩ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি ডাল, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ, ৫০০ গ্রাম রসুন এবং ১ কেজি নাপ্পি/লট্টা শুঁটকি।
স্বাস্থ্য ও গৃহস্থালি সামগ্রীর মধ্যে ছিল—২০ লিটারের ১টি বালতি, ২টি লাইফবয় সাবান, ১টি প্লাস্টিক মগ, ১০টি ওরস্যালাইন, ১টি গামছা, ১ কেজি ডিটারজেন্ট পাউডার, ১টি বদনা এবং পানি বিশুদ্ধকরণের ১০টি ট্যাবলেট।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পাহাড়ি এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুর্যোগের পরপরই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকট দেখা দেয়। এ ধরনের মানবিক সহায়তা তাদের সাময়িক দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তারা আশিকার পাশাপাশি দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, দাতা সংস্থা ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পৌর এলাকার বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে এসব সহায়তা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে পৌরসভার কর পরিদর্শক মনিষা চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী নিজাম উদ্দিন বাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশিকার উপজেলা মনিটরিং অফিসার রুপায়ন চাকমা। এছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও স্বাস্থ্য-গৃহস্থালি সামগ্রী সমন্বয়ে একটি সহায়তা প্যাকেজ দেওয়া হয়।
খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল—৪০ কেজি চাল, ৩ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি ডাল, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ, ৫০০ গ্রাম রসুন এবং ১ কেজি নাপ্পি/লট্টা শুঁটকি।
স্বাস্থ্য ও গৃহস্থালি সামগ্রীর মধ্যে ছিল—২০ লিটারের ১টি বালতি, ২টি লাইফবয় সাবান, ১টি প্লাস্টিক মগ, ১০টি ওরস্যালাইন, ১টি গামছা, ১ কেজি ডিটারজেন্ট পাউডার, ১টি বদনা এবং পানি বিশুদ্ধকরণের ১০টি ট্যাবলেট।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পাহাড়ি এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুর্যোগের পরপরই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকট দেখা দেয়। এ ধরনের মানবিক সহায়তা তাদের সাময়িক দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তারা আশিকার পাশাপাশি দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, দাতা সংস্থা ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।