মোঃ মোফাছসিল খান, জাককানইবি: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) লোক প্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অপর্ণা সরকার পলিসি ক্যাম্প ২০২৬-এ অংশগ্রহণের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ।প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সারা দেশ থেকে নির্বাচিত তরুণদের সঙ্গে তিনিও এই পাঁচ দিনব্যাপী আবাসিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। তিনি Youth for Policy-এর ময়মনসিংহ কমিটির Public Relation Officer (PRO) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
Institute for Informed Development (IID)-এর আয়োজনে এবং Youth for Policy (YfP)-এর উদ্যোগে আয়োজিত Policy Camp 2026-এর মূল লক্ষ্য তরুণদের নেতৃত্ব, নাগরিক সম্পৃক্ততা ও নীতি-সম্পৃক্ততা বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
বর্তমানে অপর্ণা সরকার অপু Youth for Policy-সহ বিভিন্ন সংগঠনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।দীর্ঘদিন ধরে তিনি যুব নেতৃত্ব, সামাজিক উন্নয়ন এবং নীতি-অ্যাডভোকেসির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ের এবং মার্জিনালাইজড কমিউনিটি-যেমন হরিজন, দলিত, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর-শিক্ষার হার নিশ্চিত করা, শিক্ষাসংক্রান্ত সমস্যা সমাধান এবং তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষাকে সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে তরুণদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে IID-এর নেতৃত্বে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে হরিজন, দলিতসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে সরাসরি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছেন।পাশাপাশি সংগৃহীত তথ্যের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার পাশাপাশি কমিউনিটির বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাব্য সমাধানের উপায় সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করেছেন।
Policy Camp 2026 হবে পাঁচ দিনব্যাপী একটি আবাসিক কর্মসূচি। এতে নীতি প্রক্রিয়া, নেতৃত্ব, নাগরিক অংশগ্রহণ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয় এবং বাস্তব সমস্যা বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পাবেন অংশগ্রহণকারীরা। বিভিন্ন ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন, দলীয় কাজ, আলোচনা এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে তারা নীতি বিষয়ে জ্ঞান ও বিশ্লেষণী দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি যোগাযোগ, নেতৃত্ব, দলগত কাজ ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ পাবেন।
অংশগ্রহণকারীদের ১৫ আগস্ট ২০২৬ ক্যাম্পে চেক-ইন করতে হবে। মূল কার্যক্রম চলবে ১৬ থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। এরপর ২১ আগস্ট চেক-আউটের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হবে।
পলিসি ক্যাম্প ২০২৬-এ নির্বাচিত হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে অপর্ণা সরকার অপু বলেন,“জননীতি সম্পর্কে গভীরভাবে শেখা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মেধাবী তরুণদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার এই সুযোগ আমার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান এবং আমি সুযোগটি পেয়ে গর্ববোধ করছি।আমি বিশ্বাস করি, নীতি-নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশের ভিত্তি গড়ে তুলতে পারে।এই ক্যাম্প থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আমি তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে কাজে লাগাতে চাই।”
আয়োজকদের মতে , Policy Camp 2026-এ অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্ব, যোগাযোগ, সমস্যা সমাধান, দলগত কাজ এবং নাগরিক দায়িত্ববোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রেও এ কর্মসূচি সহায়ক হবে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর একাডেমিক কার্যক্রম যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনা করে তাকে প্রয়োজনীয় একাডেমিক সহযোগিতা ও অনুমতি দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে Youth for Policy।
Institute for Informed Development (IID)-এর আয়োজনে এবং Youth for Policy (YfP)-এর উদ্যোগে আয়োজিত Policy Camp 2026-এর মূল লক্ষ্য তরুণদের নেতৃত্ব, নাগরিক সম্পৃক্ততা ও নীতি-সম্পৃক্ততা বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
বর্তমানে অপর্ণা সরকার অপু Youth for Policy-সহ বিভিন্ন সংগঠনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।দীর্ঘদিন ধরে তিনি যুব নেতৃত্ব, সামাজিক উন্নয়ন এবং নীতি-অ্যাডভোকেসির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ের এবং মার্জিনালাইজড কমিউনিটি-যেমন হরিজন, দলিত, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর-শিক্ষার হার নিশ্চিত করা, শিক্ষাসংক্রান্ত সমস্যা সমাধান এবং তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষাকে সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে তরুণদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে IID-এর নেতৃত্বে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে হরিজন, দলিতসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে সরাসরি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছেন।পাশাপাশি সংগৃহীত তথ্যের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার পাশাপাশি কমিউনিটির বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাব্য সমাধানের উপায় সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করেছেন।
Policy Camp 2026 হবে পাঁচ দিনব্যাপী একটি আবাসিক কর্মসূচি। এতে নীতি প্রক্রিয়া, নেতৃত্ব, নাগরিক অংশগ্রহণ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয় এবং বাস্তব সমস্যা বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পাবেন অংশগ্রহণকারীরা। বিভিন্ন ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন, দলীয় কাজ, আলোচনা এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে তারা নীতি বিষয়ে জ্ঞান ও বিশ্লেষণী দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি যোগাযোগ, নেতৃত্ব, দলগত কাজ ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ পাবেন।
অংশগ্রহণকারীদের ১৫ আগস্ট ২০২৬ ক্যাম্পে চেক-ইন করতে হবে। মূল কার্যক্রম চলবে ১৬ থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। এরপর ২১ আগস্ট চেক-আউটের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হবে।
পলিসি ক্যাম্প ২০২৬-এ নির্বাচিত হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে অপর্ণা সরকার অপু বলেন,“জননীতি সম্পর্কে গভীরভাবে শেখা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মেধাবী তরুণদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার এই সুযোগ আমার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান এবং আমি সুযোগটি পেয়ে গর্ববোধ করছি।আমি বিশ্বাস করি, নীতি-নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশের ভিত্তি গড়ে তুলতে পারে।এই ক্যাম্প থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আমি তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে কাজে লাগাতে চাই।”
আয়োজকদের মতে , Policy Camp 2026-এ অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্ব, যোগাযোগ, সমস্যা সমাধান, দলগত কাজ এবং নাগরিক দায়িত্ববোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রেও এ কর্মসূচি সহায়ক হবে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর একাডেমিক কার্যক্রম যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনা করে তাকে প্রয়োজনীয় একাডেমিক সহযোগিতা ও অনুমতি দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে Youth for Policy।