র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

আপলোড সময় : ০৭-০৮-২০২৬ ০১:৫৪:৩০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৭-০৮-২০২৬ ০১:৫৪:৩০ অপরাহ্ন

নেত্রকোনায় সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় রিপন মিয়া নামের এক ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে’ গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গতকাল বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪-এর একটি দল তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
 

এর আগে গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা।
 

মামলা হওয়ার আগে গত সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের নন্দুরা বাজারে ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে এই ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে এক সালিস বৈঠক বসে।
 

স্থানীয় সূত্র জানায়, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে ওই সালিসে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আবদুল হাই মুন্সি, আতাউর রহমান, স্থানীয় জামায়াত নেতা জয়নাল আবেদীন ও দৌলত মিয়াসহ এলাকাবাসী। বিচারে রিপন মিয়াকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধের জন্য তাঁকে সাত দিনের সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।
 

তবে বিএনপি কার্যালয়ে ধর্ষণের মতো একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ সালিস বৈঠকে নিষ্পত্তির চেষ্টা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল। তাঁরা এটিকে সরাসরি আইন নিজেদের হাতে তুলে নেওয়ার শামিল বলে দাবি করেছেন।
 

অভিযুক্ত রিপন মিয়া নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া গ্রামের মঞ্জিল মিয়ার ছেলে। পেশায় কাঠমিস্ত্রি হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে তাঁর পরিচিতি রয়েছে। সম্প্রতি তিনি পাশের নন্দুরা গ্রামে জমি কিনে বাড়ি বানিয়ে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী তাঁর প্রতিবেশী।

সম্পাদকীয় : দৈনিক সকল সংবাদ


দৈনিক সকল সংবাদ সত্য, নিরপেক্ষতা ও জনস্বার্থের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম। দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও জনজীবনের নানা বিষয় আমরা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পাঠকের কাছে তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সচেতন সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখাই আমাদের লক্ষ্য।

 

সুইট # ২, (১১ তলা) পল্টন চায়না টাউন (পশ্চিম টাওয়ার), ৬৭/১, নয়াপল্টন ভি আই পি রোড, ঢাকা -১০০০, বাংলাদেশে।
ইমেইল : [email protected]