রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ , ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুয়ালালামপুরে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলায় নজর কেড়েছে বাংলাদেশ বাঘাইছড়িতে শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তির পুরস্কার বিতরণ হুইপের মনোনয়নে কমলনগর উপজেলা মনিটরিং কমিটিতে যুবদল নেতা ফখরুল বাগেরহাট কারাগারে গলায় খাবার আটকে হাজতির মৃত্যু ‘নেশাগ্রস্ত’ স্বামীর সংসার থেকে মেয়েকে মুক্ত করে দুধ দিয়ে গোসল করলেন মা দিনব্যাপী ফেনী সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে সাগরে ডুবছিল বোট, ৭৬ জনকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী পেশাজীবনে মিথিলার নতুন অধ্যায়, যুক্ত হলেন কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে মক্কায় আত্মঘাতী হামলার চেষ্টার দাবি ভিত্তিহীন, জানাল সৌদি কর্তৃপক্ষ সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের শুল্কমুক্ত মদের ৪ গুদাম সিলগালা এলপিজি মজুত করে জনঅসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা হলে ব্যবস্থা: ডা. জাহেদ উর রহমান ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ চেয়ে সরকারকে আইনি নোটিশ ২৮ হাজার টাকার শাড়ি নিয়ে প্রতারণা: মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা ফিফার নতুন প্রস্তাবে বড় অর্থ পেতে পারে বাংলাদেশ রংপুর স্টেডিয়াম হবে ‘শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়াম’, ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশকে এলএনজি দিতে পারবে না কাতার এনার্জি: রয়টার্স অন্তরঙ্গ দৃশ্য ফাঁসের ভয় নিয়ে মুখ খুললেন বিজয় ও রাধিকা প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে তাড়াহুড়ার কিছু নেই: দিনেশ ত্রিবেদী রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি গাজী নজরুল, জামিন আবেদন খারিজ সাইবার আইনে সাংবাদিকদের হয়রানি করা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফেলে দেওয়া নারকেলের ছোবড়া থেকে লক্ষ্মীপুরে কোটি টাকার ব্যবসা

  • আপলোড সময় : ০৬-০৭-২০২৬ ১২:২৫:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৬-০৭-২০২৬ ১২:২৫:১৮ অপরাহ্ন
ফেলে দেওয়া নারকেলের ছোবড়া থেকে লক্ষ্মীপুরে কোটি টাকার ব্যবসা

এক যুগ আগেও যা ছিল কেবলই জ্বালানি বা ফেলে দেওয়ার বস্তু, সেই নারকেলের ছোবড়াই এখন বদলে দিচ্ছে লক্ষ্মীপুরের অর্থনীতির চাকা। জেলার প্রায় ৩০টি কারখানায় এই ফেলনা ছোবড়া প্রক্রিয়াজাত করে এখন বছরে কয়েক কোটি টাকার ব্যবসা হচ্ছে। এসব কারখানা থেকে তৈরি হচ্ছে গদি, সোফা, দড়ি থেকে শুরু করে কৃষিকাজে ব্যবহৃত কোকোডাস্ট।
 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, লক্ষ্মীপুরে সংগৃহীত নারকেলের ছোবড়া কারখানায় এনে প্রক্রিয়াজাত করে মূলত দুটি জিনিস তৈরি হয়—আঁশ (ফাইবার) ও গুঁড়া। এই ফাইবার দিয়ে জাজিম, গদি, দড়ি, স্লিপার (জুতা), খেলনা ও নানা শৌখিন সামগ্রী তৈরি করা হয়। আর ফাইবার তৈরির সময় উপজাত হিসেবে যে বিপুল পরিমাণ গুঁড়া পাওয়া যায়, তা ‘কোকোডাস্ট’ নামে পরিচিত। বিশেষ করে ছাদবাগানসহ আধুনিক কৃষিকাজে মাটির বিকল্প হিসেবে এই কোকোডাস্টের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, লক্ষ্মীপুর জেলায় ২ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমিতে নারকেলের বাগান রয়েছে। এর বাইরেও জেলার প্রায় প্রতিটি বাড়ির আঙিনাতেই কমবেশি নারকেল গাছ আছে।
 

শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা জানান, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগৃহীত নারকেল ছুলে ছোবড়াগুলো আলাদা করে কারখানায় পাঠানো হয়। সেখানে প্রক্রিয়াজাত শেষে জেলার চাহিদা মিটিয়ে এসব পণ্য এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিটি কারখানা থেকে মাসে গড়ে প্রায় তিন লাখ টাকার ছোবড়া বা প্রক্রিয়াজাত পণ্য বিক্রি হয়। একেকটি কারখানায় কর্মসংস্থান হয়েছে ৮ থেকে ১০ জন শ্রমিকের।
 

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) জেলা উপব্যবস্থাপক ফজলুল করিম বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর জেলা নারকেল, সুপারি ও সয়াবিনের জন্য বিখ্যাত। সে হিসেবে নারকেলের ছোবড়া এখানে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি শিল্প। বর্তমানে প্রায় ৩০ জন উদ্যোক্তা এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত।’
 

উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তাঁরা বিসিকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ক্ষুদ্রঋণ সহায়তা, প্রশিক্ষণ প্রদানসহ শিল্প নিবন্ধনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। এই শিল্পের প্রসারে বিসিক সব ধরনের সহযোগিতা করবে।’


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিজস্ব প্রতিবেদক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কুয়ালালামপুরে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলায় নজর কেড়েছে বাংলাদেশ

কুয়ালালামপুরে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলায় নজর কেড়েছে বাংলাদেশ