যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যকার চলমান উত্তেজনার খবরকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েহিয়েল লেইটার। দুই নেতার এই রসায়নকে তিনি প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্কের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
সোমবার (৮ জুন) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে।
সাক্ষাৎকারে ইয়েহিয়েল লেইটার বলেন, ‘প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যেও মাঝে মাঝে মতবিরোধ হয়। তবে সেই মতপার্থক্য কখনও তাদের সম্পর্কের গভীরতাকে নষ্ট করে না।’
তিনি জানান, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে প্রায় চার দশকের পুরোনো ও সুগভীর বন্ধুত্ব রয়েছে। তিনি নিজেই দুই নেতার মধ্যকার এমন শত শত ফোনালাপের সাক্ষী।
ইরান ইস্যুতে এই রাষ্ট্রদূত জানান, ট্রাম্পের অনুরোধ রক্ষা করেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে নেতানিয়াহু কিছুটা সংযত অবস্থান নিয়েছিলেন।
তবে ট্রাম্পও এটি খুব ভালোভাবে বোঝেন যে, ইসরায়েলের ওপর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে তেল আবিব কোনোভাবেই চুপ করে বসে থাকতে পারে না। লেইটারের দাবি, সার্বিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে এখনও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বিদ্যমান।
লেবানন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনার সঙ্গে লেবাননের কোনো সম্পর্ক নেই। ইরানের সঙ্গে যুক্ত থাকলে লেবাননের কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, ইরান মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের আলোচনাকে লেবাননের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করছে। অথচ হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলের হামলার সঙ্গে ইরানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং তাদের এ থেকে দূরে থাকা উচিত।

ডেস্ক রিপোর্ট