বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সোয়া ৯টার দিকে বনানী কবরস্থানে উপস্থিত হয়ে তারা এই জিয়ারতে অংশ নেন।
শ্রদ্ধা নিবেদনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুর এবং নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কবর জিয়ারত করেন। সেখানে তাঁরা মরহুমের রুহের শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী ও জোবাইদা রহমান বিডিআর বিদ্রোহে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর প্রাঙ্গণে যান। সেখানকার স্মৃতিস্তম্ভের সামনে দাঁড়িয়ে নিহতদের স্মরণে মোনাজাতে অংশ নেন তাঁরা।
এ সময় সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ অন্যান্যরা এই কার্যক্রমে অংশ নেন।
প্রসঙ্গগত, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদর দপ্তরে এক রক্তক্ষয়ী বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে।
ওই বিদ্রোহে বাহিনীর তৎকালীন মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তা প্রাণ হারান। সব মিলিয়ে সে সময় মোট ৭৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।
নিহত এসব সেনা কর্মকর্তাদের বেশিরভাগকেই পরবর্তীকালে বনানী সামরিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছিল।

ডেস্ক রিপোর্ট