সাংগঠনিক কাঠামোতে বড় ধরনের রদবদল আনতে যাচ্ছে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)। দলটির বর্তমান কাঠামোর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ পদ বিলুপ্ত করে একটি নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ইসি কমিটির এক সভায় এ বিষয়ে একমত হন বেশিরভাগ সদস্য।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় ৬১ সদস্যবিশিষ্ট ইসি কমিটির এই সভাটি শুরু হয়, যেখানে অর্ধেকেরও বেশি সদস্য উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ পর্যালোচনার পর তারা দলের ‘মুখ্য সংগঠক’, ‘মুখ্য সমন্বয়ক’ এবং ‘মুখপাত্র’ পদগুলো আর না রাখার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের জন্য নির্ধারিত ‘মুখ্য সমন্বয়ক’ পদ দুটিও বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিলুপ্ত পদগুলোর বদলে প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোটি সম্পূর্ণ একটি আহ্বায়ক কমিটির মডেলে পরিচালিত হবে। নতুন এই কমিটিতে থাকবেন একজন করে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ও যুগ্ম সদস্য সচিব। এর বাইরে থাকবেন কমিটির সাধারণ সদস্যরা। কেন্দ্রীয় কাঠামোর পাশাপাশি দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরের জন্য একজন করে সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তাঁদের অধীনে দুজন করে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নিয়োগ দেওয়া হবে।
জানা গেছে, শুক্রবার দলের পূর্বনির্ধারিত সাধারণ সভায় ইসি কমিটির নেওয়া এই প্রস্তাবনাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করা হবে। সেখানে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে আগামী কয়েক দিনের মাঝেই নতুন রূপরেখায় এনসিপির কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে। এই নতুন কমিটিই মূলত দলের পরবর্তী জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়া পর্যন্ত সার্বিক দায়িত্ব পালন করবে।
যদিও বৃহস্পতিবারের সভায় উপস্থিত অধিকাংশ নেতাই নতুন এই কাঠামোর পক্ষে সম্মতি জানিয়েছেন, তবে বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, হাতেগোনা কয়েকজন সদস্য পুরোনো কাঠামোটিই বহাল রাখার পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট