মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় শিয়ালের আক্রমণে শিশুসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত এক নারীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার হিন্দা ও মাইলমারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন হিন্দা গ্রামের মোজাম্মেল হকের স্ত্রী বাছিরন (৭৫), ইয়ারুলের স্ত্রী শিউলী খাতুন (৪৮), আক্কাস আলীর ছেলে নূর মোহাম্মদ, রেজাউল ইসলামের স্ত্রী আমিরন নেছা (৫০), আলমগীর হোসেনের স্ত্রী আরশোলা খাতুন (৪৩) এবং ইসরাফিলের ছেলে আতিয়ার (১৬)। এ ছাড়া মাইলমারী গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে আব্দুল খালেকসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় হিন্দা গ্রামের একটি গোরস্তান থেকে শিয়াল বের হয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করে। এরপর পথচারী ও বাড়িতে থাকা লোকজনের ওপর আক্রমণ চালায় প্রাণীটি। একপর্যায়ে হিন্দা মাঠপাড়া হয়ে মাইলমারী গ্রামের দিকে চলে যায়। এ সময় শিশুসহ ১০ জনকে কামড় দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করলে শিয়ালটি মাঠের দিকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়দের ধারণা, শিয়ালটি ক্ষিপ্ত বা পাগল হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনার পর দুই গ্রামেই শিয়াল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর আহত আমিরন নেছাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাসেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আহতদের মধ্যে আমিরন নেছার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
