মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে অনুষ্ঠিত এই জনসভার খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম কালবেলা।
জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণে পদ্মা নদী ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে সরকার তিস্তা এবং পদ্মা নদীতে নতুন ব্যারাজ নির্মাণ করে পানির সংকট দূর করবে।
পানির ন্যায্য হিস্যার বিষয়ে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, যারা এই সংকট তৈরি করেছে তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা হবে। প্রয়োজনে বাংলাদেশের মানুষের পানির অধিকার আদায়ে যতদূর যাওয়া প্রয়োজন, সরকার সেই চেষ্টাই করবে।
কৃষকদের জন্য নেওয়া সরকারের নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, আগামী মৌসুমের জন্য দেশের প্রায় চার হাজার আখচাষিকে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। সরকার গভীরভাবে বিশ্বাস করে, এই দেশের কৃষক বাঁচলেই কেবল দেশের কৃষি বাঁচবে।
তিনি আরও জানান, সরকার গঠনের পর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এরই মধ্যে দেশের ১৩ লাখ প্রান্তিক কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।
পাশাপাশি দেশজুড়ে খাল খনন ও নদী সংস্কারের মেগা পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে, যার মধ্যে গত আট মাসে প্রায় ৮০০ কিলোমিটারের কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে।
