একইসঙ্গে এই ছুটির সময়ে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শেয়ার বাজার এবং দেশের সব আদালতের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। সেই হিসাবে আজ সোমবারই ছিল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটির আগের শেষ কর্মদিবস।
সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, টানা এই পাঁচ দিনের ছুটি কাটাতে সোমবার বিকেল থেকেই দেশের বাস টার্মিনাল, রেলওয়ে স্টেশন ও লঞ্চঘাটগুলোতে ঘরমুখো যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যেতে পারে।
এর আগে গত ৭ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সব মিলিয়ে এই টানা পাঁচ দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি নির্ধারিত ছিল। পরে ২২ অক্টোবরও (বৃহস্পতিবার) নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে মন্ত্রিসভা। তবে এই দীর্ঘ ছুটির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গত ১৭ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা রাখা হয়েছিল।
যারা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন:
১. বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ডাক সেবার মতো জরুরি পরিষেবাগুলো চালু থাকবে।
২. হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান এবং এর সঙ্গে জড়িত সব কর্মী এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবেন।
৩. জরুরি কাজের সঙ্গে যুক্ত সরকারি অফিসগুলো খোলা থাকবে।
৪. ব্যাংক ও আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সুপ্রিম কোর্ট আলাদা নির্দেশনা দেবে।
৫. বেসরকারি খাতের কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ছুটির বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
৫. বেসরকারি খাতের কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ছুটির বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
