সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও কেবল স্থায়ী ঠিকানা বা বসতভিটা না থাকার কারণে নিয়োগ আটকে গিয়েছিল ঝিনাইদহের মিশন আচার্যের। অবশেষে সব জটিলতা কাটিয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তিনি। গতকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটে তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
এর আগে স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ তাঁর নিয়োগপত্র ইস্যু করতে অস্বীকৃতি জানায়। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন এবং শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনের হস্তক্ষেপে এই প্রশাসনিক জটিলতার অবসান ঘটে।
ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন জানান, মিশন আচার্যের নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে শিক্ষক হিসেবে তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নিয়োগ পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় মিশন আচার্য বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের ওপর আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এ ছাড়া গণমাধ্যমের যেসব সাংবাদিক আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই।’ দেশ ও জাতি গড়ার মহান দায়িত্ব পালনে নিজের মেধার সর্বোচ্চ ব্যবহার করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেন, শিক্ষামন্ত্রী অত্যন্ত দ্রুত ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টি সমাধান করেছেন। তিনি বলেন, ‘সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে গণমাধ্যমের সোচ্চার ভূমিকা এবং সরকারের ইতিবাচক মনোভাব থাকলে যেকোনো প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন সম্ভব। আশা করি, শিক্ষক মিশন আচার্য সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে হাজারো শিশুর মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেবেন।’
