আজ শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা বাজারের পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। কৃষিপণ্যের ওজন নিয়ে প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে বিস্তর অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি সরেজমিনে বাজারটি পরিদর্শনে আসেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, দরিদ্র কৃষকেরা বাজারে পণ্য নিয়ে আসার পর বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা ও পণ্য নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ব্যবসায়ীরা ওজনের সময় এক থেকে দুই কেজি পর্যন্ত ধলতা বা বাড়তি ওজন নেন। এভাবে ৪৫ কেজিতে এক মণ হিসাব করা হচ্ছে। অর্থাৎ কৃষককে বাজারে এক মণ পণ্য বিক্রি করতে বাড়ি থেকে প্রায় ৪৫ কেজি পণ্য নিয়ে আসতে হচ্ছে। এতে প্রান্তিক কৃষকেরা নিয়মিত আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
বিষয়টি জানতে পেরে প্রশাসনকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড এবং আরেক ব্যবসায়ীকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এরপরও পরিস্থিতি নিজের চোখে দেখতে তিনি শৈলকুপা বাজার পরিদর্শনে এসেছেন।
ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, অনেক ব্যবসায়ী ওজনের সময় নির্ধারিত পরিমাণের বেশি পণ্য না দিলে তা কিনবেন না বলে সিন্ডিকেট করেছেন। তাঁদের এক থেকে দুই সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করা হবে। এরপরও তাঁরা কৃষকের কাছ থেকে অতিরিক্ত পণ্য নেওয়া বন্ধ না করলে বিকল্প ব্যবসায়ী তৈরি করা হবে।
সব ধরনের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মন্ত্রী আরও বলেন, প্রান্তিক কৃষক যাতে তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান, সেদিকে প্রশাসনকে কড়া নজর রাখতে হবে। কোনোভাবেই কৃষককে ক্ষতির মুখে পড়তে দেওয়া হবে না।

ডেস্ক রিপোর্ট